গতকাল রবিবার কারিতাস বাংলাদেশ দিনাজপুর অঞ্চল আয়োজিত কারিতাসের নিজস্ব মিলনায়তন ‘মঙ্গলধ্যানে’ অনুষ্ঠিত ‘অন্ধত্ব ও আমাদের ভূমিকা শীর্ষক’ সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। কারিতাস বাংলাদেশ দিনাজপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক যোগেন জুলিয়ান বেসরা’র সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কারিতাস রিভিপ প্রকল্পের কর্মকর্তা রতন ডি কস্তা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ আহসানুল হক চৌধুরী। অন্ধত্বের কারণ ও প্রতিকারের উপায় বিষয়ের উপর আলোচনা করেন দিনাজপুর গাওসুল আজম বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের ডা. কাকলী চৌধুরী। কারিতাসের জুনিয়র কর্মসূচী কর্মকর্তা শ্যামলী এফ. রোজারিও’র সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশগ্রহন করেন দিনাজপুর পৌরসভার কাউন্সিলর ফয়সাল হাবিব সুমন, কারিতাসের কর্মসূচী কর্মকর্তা স্বপন রোজারিও, সিডিসি দিনাজপুরের প্রোগ্রাম অফিসার শৈলেন চন্দ্র রায়, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মোঃ নজরুল ইসলাম, দুষ্টি প্রতিবন্ধী স্কুলের রিসোর্স শিক্ষক সৈয়দ আক্কাস আলী প্রমূখ। সেমিনারে শিক্ষক, চিকিৎসক, এনজিও প্রতিনিধি, সাংবাদিক, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সংগঠনের সদস্যসহ বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধি অংশগ্রহন করেন।
Showing posts with label জীবনযাত্রা. Show all posts
Showing posts with label জীবনযাত্রা. Show all posts
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয়
গতকাল রবিবার কারিতাস বাংলাদেশ দিনাজপুর অঞ্চল আয়োজিত কারিতাসের নিজস্ব মিলনায়তন ‘মঙ্গলধ্যানে’ অনুষ্ঠিত ‘অন্ধত্ব ও আমাদের ভূমিকা শীর্ষক’ সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। কারিতাস বাংলাদেশ দিনাজপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক যোগেন জুলিয়ান বেসরা’র সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কারিতাস রিভিপ প্রকল্পের কর্মকর্তা রতন ডি কস্তা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ আহসানুল হক চৌধুরী। অন্ধত্বের কারণ ও প্রতিকারের উপায় বিষয়ের উপর আলোচনা করেন দিনাজপুর গাওসুল আজম বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের ডা. কাকলী চৌধুরী। কারিতাসের জুনিয়র কর্মসূচী কর্মকর্তা শ্যামলী এফ. রোজারিও’র সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশগ্রহন করেন দিনাজপুর পৌরসভার কাউন্সিলর ফয়সাল হাবিব সুমন, কারিতাসের কর্মসূচী কর্মকর্তা স্বপন রোজারিও, সিডিসি দিনাজপুরের প্রোগ্রাম অফিসার শৈলেন চন্দ্র রায়, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মোঃ নজরুল ইসলাম, দুষ্টি প্রতিবন্ধী স্কুলের রিসোর্স শিক্ষক সৈয়দ আক্কাস আলী প্রমূখ। সেমিনারে শিক্ষক, চিকিৎসক, এনজিও প্রতিনিধি, সাংবাদিক, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সংগঠনের সদস্যসহ বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধি অংশগ্রহন করেন।
দাম্পত্য-জীবনে নারীই বেশি রোমান্টিক
কে বেশি রোমান্টিক—তুমি না আমি? মান-অভিমানের এমন তর্কের এবার একটা উত্তর
মিলল। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালিত এক গবেষণার ফলাফলে
দেখা গেছে দাম্পত্য-জীবনে রোমান্টিক সম্পর্কের ব্যাপারে নারীরাই বেশি
তাড়িত। লন্ডনভিত্তিক জার্নাল ‘সায়েন্টিফিক রিপোর্টসে’ এ গবেষণার ফলাফল
প্রকাশিত হয়েছে।
বিবিসি অনলাইনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মোবাইল ফোনে কথা বলা ও খুদে বার্তা পাঠানোর ওপর ভিত্তি করে প্রায় ৩০ লাখ বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষের ওপর গবেষণাটি চালান হয়। এই গবেষণার মূল লক্ষ্যই ছিল স্বামী-স্ত্রীর অন্তরঙ্গ সম্পর্ক আসলে কত দিন একই থাকে কিংবা তাঁরা আসলে কতটা কাছাকাছি থাকেন—এসব প্রশ্নের উত্তর জানা। আর এ গবেষণার চূড়ান্ত ফলাফলে যা পাওয়া গেছে তা হলো—অন্য কাউকে নয়, স্বামীকেই সবচেয়ে বেশি ফোন করে বিবাহিত নারীরা।
এ গবেষণায় দেখা গেছে, যুগলবন্দি জীবন পুরুষের চেয়ে নারীর কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই জীবনকে রোমান্টিক করতে নারীরাই বেশি উদ্যোগী। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, নারীরা যখন দাদি বা নানি হন, তখন স্বামীর প্রতি তাঁদের এই আগ্রহ অনেকটাই ফিকে হতে থাকে। এ সময় নাতি-নাতনিরাই তাঁদের কাছে বেশি গুরুত্ব পায়।
স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরকে ফোন করার মাত্রা থেকে গবেষকেরা প্রমাণ করেন যে পুরুষেরা তাঁদের বিবাহিত জীবনের প্রথম সাত বছর স্ত্রীদের বেশি ফোন করেন। এরপর থেকে তাঁদের মনোযোগ অন্যান্য বন্ধু-বান্ধবদের দিকে ধাবিত হয়। অন্যদিকে, ৩০-এর ঘরে পা দেওয়ার পর থেকে নারীরা স্বামীর চেয়ে কাছের বন্ধুটির প্রতি বেশি মনোযোগী হয়ে ওঠে। আর ৪৫-এর পর থেকে নাতি-পুতিরাই তাঁদের নতুন বন্ধু হয়ে ওঠে। তাই এ সময় বুড়ো স্বামীরা তাঁদের স্ত্রীর কাছ থেকে খুব কমই ফোন পেয়ে থাকেন।
গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, ৩০-এর পরে পুরুষেরা একই বয়সী নারী সঙ্গীর সঙ্গে বন্ধুর মতো ব্যবহার করেন। কিন্তু, সাত বছর যেতে না যেতেই তাঁদের আচরণে পরিবর্তন আসে। অন্যদিকে, নারীরা ২০ বছর বয়স থেকেই একই বয়সী পুরুষ সঙ্গীকে ভালো বন্ধু হিসেবে দেখতে পছন্দ করে। তবে, ১৫ বছর পর থেকে তাঁদের এই পছন্দের খাতাতেও পরিবর্তন আসতে থাকে।
এ ব্যাপারে গবেষকেরা বলছেন, নারীদের সামাজিক জীবন আসলে একক ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে ঘুরপাক খায়। তাই প্রথমে স্বামী, তারপর ছেলেমেয়ে এবং সবশেষে নাতি-পুতির সঙ্গী হয়ে পর্যায়ক্রমে তাঁরা তাঁদের আগ্রহের ক্ষেত্রগুলোতে পরিবর্তন আনেন।
এ গবেষণার ফলাফল বিশ্লেষণের মাধ্যমে অধ্যাপক ডানবার প্রমাণ করতে চেয়েছেন, মানব-সমাজের পিতৃতান্ত্রিক রূপটি ক্রমেই মাতৃতন্ত্রের দিকে ধাবিত হচ্ছে। তিনি বলেন, পুরুষেরা সম্পর্কের ব্যাপারে খুব বেশি অমনোযোগী। তাঁরা উচ্চমাত্রায় রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে সবকিছু বিবেচনা করতে ভালোবাসে। কিন্তু দিন শেষে দেখা যায়, নারীরাই সমাজ কাঠামোকে নিয়ন্ত্রণ করছে।
বিবিসি অনলাইনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মোবাইল ফোনে কথা বলা ও খুদে বার্তা পাঠানোর ওপর ভিত্তি করে প্রায় ৩০ লাখ বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষের ওপর গবেষণাটি চালান হয়। এই গবেষণার মূল লক্ষ্যই ছিল স্বামী-স্ত্রীর অন্তরঙ্গ সম্পর্ক আসলে কত দিন একই থাকে কিংবা তাঁরা আসলে কতটা কাছাকাছি থাকেন—এসব প্রশ্নের উত্তর জানা। আর এ গবেষণার চূড়ান্ত ফলাফলে যা পাওয়া গেছে তা হলো—অন্য কাউকে নয়, স্বামীকেই সবচেয়ে বেশি ফোন করে বিবাহিত নারীরা।
এ গবেষণায় দেখা গেছে, যুগলবন্দি জীবন পুরুষের চেয়ে নারীর কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই জীবনকে রোমান্টিক করতে নারীরাই বেশি উদ্যোগী। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, নারীরা যখন দাদি বা নানি হন, তখন স্বামীর প্রতি তাঁদের এই আগ্রহ অনেকটাই ফিকে হতে থাকে। এ সময় নাতি-নাতনিরাই তাঁদের কাছে বেশি গুরুত্ব পায়।
স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরকে ফোন করার মাত্রা থেকে গবেষকেরা প্রমাণ করেন যে পুরুষেরা তাঁদের বিবাহিত জীবনের প্রথম সাত বছর স্ত্রীদের বেশি ফোন করেন। এরপর থেকে তাঁদের মনোযোগ অন্যান্য বন্ধু-বান্ধবদের দিকে ধাবিত হয়। অন্যদিকে, ৩০-এর ঘরে পা দেওয়ার পর থেকে নারীরা স্বামীর চেয়ে কাছের বন্ধুটির প্রতি বেশি মনোযোগী হয়ে ওঠে। আর ৪৫-এর পর থেকে নাতি-পুতিরাই তাঁদের নতুন বন্ধু হয়ে ওঠে। তাই এ সময় বুড়ো স্বামীরা তাঁদের স্ত্রীর কাছ থেকে খুব কমই ফোন পেয়ে থাকেন।
গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, ৩০-এর পরে পুরুষেরা একই বয়সী নারী সঙ্গীর সঙ্গে বন্ধুর মতো ব্যবহার করেন। কিন্তু, সাত বছর যেতে না যেতেই তাঁদের আচরণে পরিবর্তন আসে। অন্যদিকে, নারীরা ২০ বছর বয়স থেকেই একই বয়সী পুরুষ সঙ্গীকে ভালো বন্ধু হিসেবে দেখতে পছন্দ করে। তবে, ১৫ বছর পর থেকে তাঁদের এই পছন্দের খাতাতেও পরিবর্তন আসতে থাকে।
এ ব্যাপারে গবেষকেরা বলছেন, নারীদের সামাজিক জীবন আসলে একক ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে ঘুরপাক খায়। তাই প্রথমে স্বামী, তারপর ছেলেমেয়ে এবং সবশেষে নাতি-পুতির সঙ্গী হয়ে পর্যায়ক্রমে তাঁরা তাঁদের আগ্রহের ক্ষেত্রগুলোতে পরিবর্তন আনেন।
এ গবেষণার ফলাফল বিশ্লেষণের মাধ্যমে অধ্যাপক ডানবার প্রমাণ করতে চেয়েছেন, মানব-সমাজের পিতৃতান্ত্রিক রূপটি ক্রমেই মাতৃতন্ত্রের দিকে ধাবিত হচ্ছে। তিনি বলেন, পুরুষেরা সম্পর্কের ব্যাপারে খুব বেশি অমনোযোগী। তাঁরা উচ্চমাত্রায় রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে সবকিছু বিবেচনা করতে ভালোবাসে। কিন্তু দিন শেষে দেখা যায়, নারীরাই সমাজ কাঠামোকে নিয়ন্ত্রণ করছে।
একাকী জীবন হতাশা ডেকে আনে
বর্তমান কর্মব্যস্ত পৃথিবীতে যারা একা বসবাস করেন তাদের হতাশায় ভোগার
আশঙ্কা প্রায় ৮০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায় বলে জানিয়েছেন ফিনিশীয় গবেষকরা।
গবেষণার ফলাফলে বলা হয়, একা জীবনযাপন করা নারীদের জন্য বাসস্থানের পরিবেশ
এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে সামাজিক আনুকূল্যের অভাব ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
জরিপে দেখা যায়, গত তিনদশক ধরে পশ্চিমা দেশগুলোতে একা বসবাসকারীর সংখ্যা
বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে প্রতি তিনটি বাড়ির মধ্যে একটি বাড়িতে
বসবাসকারী পরিবারের সদস্য সংখ্যা মাত্র একজন।
একা বসবাসকারীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করার জন্য কোনো
না কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেছে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সক্রিয় একটি
প্রতিষ্ঠান।
জনস্বাস্থ্য বিষয়ক জার্নাল ‘বায়োমেড সেন্ট্রাল’ এ প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয় বলে শুক্রবার জানিয়েছে বিবিসি।
এ গবেষণায় ফিনল্যান্ডের ৩ হাজার ৫শ’ জন হতাশাগ্রস্ত মানুষের মানসিক
মন্দারোধী ওষুধ ব্যবহারের প্রবণতা পর্যবেক্ষণ করা হয়। এদের মধ্যে ১ হাজার
৬শ’ ৯৫ জন পুরুষ ও ১ হাজার ৭শ’ ৭৬ জন নারী।
তাদের জীবনযাপন সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করার পর দেখা যায়, ২০০০
থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত পরিবারের সঙ্গে বসবাসকারীদের তুলনায় একা
বসবাসকারীদের মধ্যে হতাশাগ্রস্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি।
এ গবেষক দলের নেতৃত্বে থাকা ড. লরা পুলক্কি-রাবাক বলেন, এ ধরনের
গবেষণাগুলোতে সাধারণত ঝুঁকিগুলো খুব পরিষ্কারভাবে প্রকাশ পায় না। এমনকি
এদের মধ্যে কতজন মানসিক স্বাস্থ্যসেবার বাইরে আছে তাও পরিষ্কার নয়।
তবে পরিবারের সঙ্গে বসবাসকারীদের জন্য বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করার
সুযোগ থাকায় তারা মানসিক ও সামাজিক সহযোগিতা পায় বলে তাদের মধ্যে
হতাশাগ্রস্ত হওয়ার প্রবণতা কম দেখা দেয়। আর আলোচনা না করতে পারার কারণেই
বেশি হতাশায় ভোগেন একা বসবাসকারীরা।
২১ বার পরীক্ষা দিয়ে ডিগ্রি অর্জন
দিনাজপুর প্রতিনিধি, ১০ জুন (বিডিন্যাশনাল নিউজ ডটকম):- দিনাজপুরের
বীরগঞ্জে অধ্যবসায়ে এক সাধক ২১বার পরীক্ষা দিয়ে ডিগ্রি অর্জন করে এবার
সর্বোচ্চ ডিগ্রিসহ আইনজীবি হতে চান
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য উপজেলার মহনপুর ইউনিয়নের মরহুম মহির উদ্দীনের পুত্র মোঃ খোসবুল আলম ১৯৬৪ সালে জন্মগ্রহন করেন। তিনি গ্রামেই ভগীরপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও খানসামা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষা গ্রহন করে ১৯৮০ ইং সালে এস এস সি প্রথম বিভাগে সাফল্য অর্জন করেন। দিনাজপুর কাদের বখস মেমোরিয়াল মহাবিদ্যালয়(কে বি এম )থেকে ১৯৮২সালে এইচ এস সি তে কৃতকার্য হয়েছেন। ১৯৮৪ সালে একই মহাবিদ্যালয় থেকে এক রেজিস্টেশনে পুনঃভর্তি আইনে ৩বার ডিগ্রি পরীক্ষা দিয়ে অকৃতকার্য হন। পরিশেষে বীরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে ১৭ বার ডিগ্রি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে মোট ২০ বার অকৃতকার্য হন। ২০১১ সালে ২১বার পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে ডিগ্রি (বি এস এস) অর্জন করেছেন।
এ সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে উপজেলা সদর থেকে ৩০ কিলোমিটার উত্তরে ভগীরপাড়া গ্রামে গিয়ে গত রবিবার খোসবুল আলমের অনুভুতি জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, দীর্ঘ ২১ বছর অনেক শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়িয়েছি, তারা সফলতার সাথে ডিগ্রি অর্জন করে বিভিন্ন পেশায় জড়িয়ে পড়েছে। তিনি নীলফামারী হোমিও মেডিকেল কলেজে ডি এস এম এস কোর্সে ভর্তি হয়ে এলাকায় হোমিও চিকিৎস্যা সেবায় নিয়োজিত আছেন। তার জীবনের শেষ ইচ্ছা তিনি এল এল বি ও মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করবেন। তার ব্যক্তিগত জীবনে স্ত্রী এক পুত্র ও এক কন্যা রয়েছে তাদেরও বিয়ে দিয়ে দিয়েছি।
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য উপজেলার মহনপুর ইউনিয়নের মরহুম মহির উদ্দীনের পুত্র মোঃ খোসবুল আলম ১৯৬৪ সালে জন্মগ্রহন করেন। তিনি গ্রামেই ভগীরপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও খানসামা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষা গ্রহন করে ১৯৮০ ইং সালে এস এস সি প্রথম বিভাগে সাফল্য অর্জন করেন। দিনাজপুর কাদের বখস মেমোরিয়াল মহাবিদ্যালয়(কে বি এম )থেকে ১৯৮২সালে এইচ এস সি তে কৃতকার্য হয়েছেন। ১৯৮৪ সালে একই মহাবিদ্যালয় থেকে এক রেজিস্টেশনে পুনঃভর্তি আইনে ৩বার ডিগ্রি পরীক্ষা দিয়ে অকৃতকার্য হন। পরিশেষে বীরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে ১৭ বার ডিগ্রি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে মোট ২০ বার অকৃতকার্য হন। ২০১১ সালে ২১বার পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে ডিগ্রি (বি এস এস) অর্জন করেছেন।
এ সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে উপজেলা সদর থেকে ৩০ কিলোমিটার উত্তরে ভগীরপাড়া গ্রামে গিয়ে গত রবিবার খোসবুল আলমের অনুভুতি জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, দীর্ঘ ২১ বছর অনেক শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়িয়েছি, তারা সফলতার সাথে ডিগ্রি অর্জন করে বিভিন্ন পেশায় জড়িয়ে পড়েছে। তিনি নীলফামারী হোমিও মেডিকেল কলেজে ডি এস এম এস কোর্সে ভর্তি হয়ে এলাকায় হোমিও চিকিৎস্যা সেবায় নিয়োজিত আছেন। তার জীবনের শেষ ইচ্ছা তিনি এল এল বি ও মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করবেন। তার ব্যক্তিগত জীবনে স্ত্রী এক পুত্র ও এক কন্যা রয়েছে তাদেরও বিয়ে দিয়ে দিয়েছি।
রমজানে মুড়ি ভাজা ও বিক্রি করে ব্যাস্ত সময় কাটাচ্ছে ঝালকাঠির বাসিন্দারা
সরেজমিনে ঝালকাঠি জেলার নলছিটি ও রাজাপুর দুই উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে, প্রত্যেকটি পরিবারই মুড়ি ভাজা নিয়ে ব্যাস্ত সময় পার করছেণ। শোনা যায় মাটির হাড়ির টুং টাং শব্দ। হাজারো মানুষের কর্মকাজের মধ্য দিয়ে হাতে ভাজা এ মুড়ি দক্ষিনাঞ্চলের চাহিদা মিটিয়ে সারা দেশে রপ্তানি করে থাকে। রমজান মাসে রোজাদারদের কাছে ইফতারীর প্রধান উপাদান হিসেবে ব্যাবহার হচ্ছে অতি সু-স্বাদু ও মিষ্টি মোটা চালের মুড়ি। মুড়ি তৈরীর কারিগররা জানান, রমজান মাসের চাহিদা তো রয়েছেই তারপরও সারা বছর হাজার হাজার মন মুড়ি এ এলাকা থেকে পাইকার ও আড়তদাররা সরবরাহ করে। সারবিহীন হাতে ভাজা এ মুড়ি স্বাদে অতুলনীয় হওয়ায় সাধারন মানুষের কাছে এ মুড়ি জনপ্রিয় ব্যাপক।
সরেজমিনে নলছিটি উপজেলার তিমিরকাঠির মুড়ি আড়তদার মো. গিয়াসউদ্দিন খানের সাথে আলাপকালে জানান, এক সময়ে দেশের অণ্য ১০ টি গ্রামের মতই এ গ্রামের লোকেরা নিজেদের প্রয়োজনে মুড়ি ভাজতেন। ১৯৮৫ সালে পার্শ্ববর্তী গ্রাম জুরকাঠির বাসিন্দা আমজেদ মুড়ি ভেজে তা বাজারে বিক্রি শুরু করলে তিমিরকাঠির বেশকিছু পরিবার সংসারের বাড়তি আয়ের জন্য মুড়ি ভেজে বিক্রি শুরু করে। মুড়ি তৈরীর কারিগর দেলোয়ার, খাদিজা জানান, এ এলাকায় মুড়ির জন্য উপযোগী মোটা, নাখুচী ও সাদা মোটা নামের ৩ প্রজাতির ধান ভাল ফলে বলে মুড়ি উৎপাদন করতে ভাল হয়। বানিজ্যিকভাবে মুড়ি ভাজার সঙ্গে ৩ যুগ ধরে জড়িত ভুইয়া বাড়ির ৪২ ঘরের সবাই মুড়ি ভাজার পেশায় নিয়োজিত। দৈনিক গড়ে ১শ’ কেজি মুড়ি ভাজতে পারলে খরচ বাদ দিয়ে ৭/৮শ’ টাকা লাভ হয়। তবে নিজেরা ধান কিনে সিদ্ধ করে শুকিয়ে মুড়ি ভেজে শহরে নিয়ে বিক্রি করলে দ্বি-গুন লাভ হয়। তাই স্বল্প পূজিঁ খাটালে একজন বিক্রেতা শুধুমাত্র রমজান মাসে ১৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় করতে পারে বলে জানা।
সরেজমিনে রাজাপুর উপজেলার মেডিকেল মোড় সংলগ্ন মুড়িপাড়ায় গিয়ে দেখা গেছে, প্রতি বাড়িতে মুড়ি ভাজার ধুম চলছে। মুড়ি ভাজতে চাল নিয়ে আসা দূর-দূরান্তের মানুষদের দীর্ঘ লাইনও চোখে পড়ার মতো। মুড়ি ভাজার ফাকে আলাপকালে কারিগড় মিতু রানী দাসের জানান, ষাট থেকে সত্তর বছর পর্যন্ত মুড়ি গ্রামে মুড়ি ভাজা চলে আসলেও সে নিজে ২৫/৩০ বছর পর্যন্ত মুড়ি ভেজে চলেছেন। প্রতিদিন তারা একেক জনে আড়াই থেকে তিন মণ মুড়ি ভাজেন। মুড়িভাজা কারিগর অনিতা রানী দাস জানান, অনেক দূর থেকে মানুষজন চাল নিয়ে তাদের কাছে মুড়ি ভাজাতে আসেন। প্রতিকেজি চালে আগে ১০ থেকে ১২ টাকা ভাজার খরচ নেয়া হলেও এখন একটু বাড়তি চাপ ও চুলার জ্বালানির খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় ১৫ টাকা নেয়া হচ্ছে। শুধু রমযান মাসে মুড়ির চাহিদা একটু বেশি থাকলে এক মাস তারা ব্যস্ত সময় পার করলেও বছরের অন্যসময় তাদের কাজের চাপ কমে যায়। এক্ষেত্রে সরকারী সহযোগীতায় বছরের অন্যান্য সময়েও তারা মুড়ি বাজা ও বাজারজাত করনের সংশ্লিষ্ট থাকতে পারলে তারা সবাই কিছু বাড়তি আয়ের মুখ দেখতে পারে।
এ সব এলাকার জনপ্রতিনিধিদের সাথে আলাপকালে জানান, গ্রাম এলাকার মানুষেরা কৃষি কাজের বাইরে বাড়তি আয়ের তেমনকোন সুযোগ পায়না।সেখানে এ সব এলাকার অধিবাসীরা নিজেদের প্রচেষ্টায় স্বাস্থ্যকর মুড়িভেজে বিক্রি করে কিছুটা হলেও বাড়তি আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। এঅবস্থায় সরকারী বেসরকারী পৃষ্ঠপোষকতা পেলে মুড়ি ভাজা ও বাজারজাত করনের মাধ্যমে পল্লী এলাকার এসব পরিবারে কর্মসংস্থান সৃষ্টি সহ স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে পারে।{ source-- http://www.bdnationalnews.com }
Subscribe to:
Posts (Atom)