সুতরাং যারা ঘন ঘন কাশি, হাঁচি ইত্যাদিতে ভোগেন তাদের ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত। সাধারণ ঠাণ্ডা বা ফ্লু লক্ষণগুলো হলো- জ্বর, গায়ে ব্যথা, নাক দিয়ে পানি পড়া, কাশি এ লক্ষণগুলো কয়েকদিনের মধ্যেই তীব্র আকার ধারণ করে। সাধারণত এক সপ্তাহের মধ্যেই লক্ষণগুলো চলে যায়। ভাইরাস থেকে এ সমস্যা হয়।
অ্যালার্জিজনিত ঠাণ্ডা: পোলেন (ফুলরেনু), পশুর লোম, ধুলা, খাবার, পোকার বিষ, ওষুধ ইত্যাদি থেকে অ্যালার্জি হয়। নাক দিয়ে পানি পড়া, হাঁচি, নিঃশ্বাস নিতে আওয়াজ হওয়া বা শ্বাসকষ্ট, চোখ চুলকানো, নাক চুলকানো, গলা খসখস ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যায়। যতদিন এ লক্ষণগুলো থাকে ততদিন অ্যালোজেনগুলো দেখা যায়। যতক্ষণ শারীরিক প্রতিক্রিয়া না থামে ততক্ষণ অ্যালোজেন থাকে।
অ্যাকিউট সাইনোসাইটিসের লক্ষণ: গায়ে হলুদ সর্দি নাক দিয়ে বের হয়, কাশি, মাথা ধরা বা ভারবোধ, নাক বন্ধ হওয়া, মুখ ফোলা ফোলা ভাব, দাঁতের ব্যথা, ক্লান্তভাব, জ্বর দেখা যায়। চিকিৎসা না হলে এসব লক্ষণ কয়েক সপ্তাহ চলতে পারে। ক্রনিক সাইনোসাইটিসের লক্ষণগুলো অ্যাকিউট সাইনোসাইটিসের মতোই। যদি সাইনোসাইটিসের লক্ষণগুলো দুই মাসের বেশি থাকে তাহলে এটিকে ক্রনিক সাইনোসাইটিস হিসেবে দেখা হয়। অ্যালার্জিও জীবাণুঘটিত সমস্যা থেকে সৃষ্টি হয়। চিকিৎসা না নিলে পরবর্তী সময়ে তা জটিল আকার ধারণ করতে পারে।