Showing posts with label স্বাস্হ্য. Show all posts
Showing posts with label স্বাস্হ্য. Show all posts

গরমকালে ত্বক ভালো রাখার উপায়


বিডিন্যাশনাল নিউজ ডটকম:- গরমে অতিষ্ঠ হওয়ার সময় চলছে। গরম মানেই ঘাম, ঘামে ভেজা শরীর, ঘামাচি আর অস্বস্তিকর চুলকানি। কিছু কিছু চর্ম রোগ আছে যা গরম এলেই দেখা দেয়। ঘামাচি তার একটি। ঘামাচি থেকে বাঁচতে সূতি কাপড় পরুন। বাচ্চাদেরও তাই পরান। ঘাড়ে, গলায়, বগলে, কুঁচকিতে, পিঠে পাউডার দেবেন। ঘামাচি হলে শরীরে বরফ ঘষতে পারেন, উপকার পাবেন।
কিছু চর্ম রোগ আছে যা গরম এলে বেড়ে যায়। ছত্রাকজনিত রোগ যেমন দাউদ, ছুলি প্রভৃতি এর উদাহরণ। যারা দাউদে ভোগেন তারা দেখবেন গরমকাল এলেই তা বাড়তে থাকে এবং প্রচণ্ড চুলকায়। কারণ গরম এলে শরীরে ঘাম হয় এবং শরীর ভেজা থাকে।
আর ভেজা শরীরই হলো ছত্রাক জন্মানোর জন্য উপযুক্ত ক্ষেত্র। ফলে শরীরে ছত্রাক বা ফাংগাস জন্মায়। তাই যাদের শরীরে ঘাম বেশি হয়, তারা সব সময় ঘামে ভেজা কাপড় এড়িয়ে চলবেন। আবার যারা শরীরিকভাবে মোটা তাদের দেহে বেশি ভাজ থাকে। সেই ভাজের মধ্যে ঘাম আর ময়লা বেশি জমে থাকে বলে দেহের ভাজমুক্ত স্থানে ছত্রাক বা ফাংগাস বেশি হতে দেখা যায়।
এক হিসেবে দেখা গেছে আমাদের দেশে প্রতি বছর কমপক্ষে ৭০-৮০ হাজার লোক বিভিন্ন রকম ছত্রাকজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। আবার বিশ্বব্যাপী এক পরিসংখ্যাণ থেকে দেখা গেছে বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ লোক তাদের জীবদ্দশায় কখনো না কখনো এসব রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে।
গরমের সময় মুখের তেল গ্রন্থিগুলোর ক্ষরণ হয় বেশি। তাই ব্রণের প্রকোপটাও থাকে বেশি। এই সময়ে তাই ঘন ঘন মুখ ধোবেন, দুই থেকে তিন বার। মুখ ধোওয়ার জন্য বাজারে বিভিন্ন রকম একনে সোপ পাওয়া যায়। লক্ষ্য রাখতে হবে ব্যবহার্য সাবানটিতে যেন থাকে সালফার, সেলিসাইলিক এসিড অথবা বেনজয়েল পার অক্সাইড।
গরমের সময় রোদের তীব্রতা থাকে বেশি। বেরুনোর আগে তাই সানস্ক্রীন মেখে নেবেন মুখে। ছাতা, রোদ চশমা প্রভৃতি ব্যবহার করুন। গরমে ভারী প্রসাধন এড়িয়ে চলুন। মেকাপ,ফাউন্ডেশন পারত পক্ষে ব্যবহার না করাই ভালো। অগত্যা যদি করতেই হয় চেষ্টা করবেন খুব কম সময় তা রাখতে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলবেন।
প্রচুর পানি পান করুন। এই সময়ে প্রচুর রসালো মৌসুমী ফল পাওয়া যায় বাজারে। সেগুলো বেশি বেশি করে খাওয়ার চেষ্টা করুন। ত্বক ভালো থাকবে। সব ঋতুরই ভালো মন্দ আছে। মন্দগুলো দূরে থাকুক। ভালোটাই উপভোগ করুন।


   

বর্ষায় অ্যালার্জি

 
 
বিডিন্যাশনাল নিউজ ডটকম:- ঠাণ্ডা লাগলে কাশি, হাঁচি, নিঃশ্বাস নেয়ার সময় আওয়াজ হয় অনেকেরই। তবে কয়েকদিনের মধ্যেই চলে যায়। যদি এগুলো অ্যালার্জির জন্য হয় এবং চিকিৎসা করা না হয় তাহলে সাইনোসাইটিস, কানের অসুখ, নাকের পলিপাস দেখা দিতে পারে। এই বর্ষায় সাধারণত এসব রোগ বেশি হয়।
সুতরাং যারা ঘন ঘন কাশি, হাঁচি ইত্যাদিতে ভোগেন তাদের ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত। সাধারণ ঠাণ্ডা বা ফ্লু লক্ষণগুলো হলো- জ্বর, গায়ে ব্যথা, নাক দিয়ে পানি পড়া, কাশি এ লক্ষণগুলো কয়েকদিনের মধ্যেই তীব্র আকার ধারণ করে। সাধারণত এক সপ্তাহের মধ্যেই লক্ষণগুলো চলে যায়। ভাইরাস থেকে এ সমস্যা হয়।
অ্যালার্জিজনিত ঠাণ্ডা: পোলেন (ফুলরেনু), পশুর লোম, ধুলা, খাবার, পোকার বিষ, ওষুধ ইত্যাদি থেকে অ্যালার্জি হয়। নাক দিয়ে পানি পড়া, হাঁচি, নিঃশ্বাস নিতে আওয়াজ হওয়া বা শ্বাসকষ্ট, চোখ চুলকানো, নাক চুলকানো, গলা খসখস ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যায়। যতদিন এ লক্ষণগুলো থাকে ততদিন অ্যালোজেনগুলো দেখা যায়। যতক্ষণ শারীরিক প্রতিক্রিয়া না থামে ততক্ষণ অ্যালোজেন থাকে।
অ্যাকিউট সাইনোসাইটিসের লক্ষণ: গায়ে হলুদ সর্দি নাক দিয়ে বের হয়, কাশি, মাথা ধরা বা ভারবোধ, নাক বন্ধ হওয়া, মুখ ফোলা ফোলা ভাব, দাঁতের ব্যথা, ক্লান্তভাব, জ্বর দেখা যায়। চিকিৎসা না হলে এসব লক্ষণ কয়েক সপ্তাহ চলতে পারে। ক্রনিক সাইনোসাইটিসের লক্ষণগুলো অ্যাকিউট সাইনোসাইটিসের মতোই। যদি সাইনোসাইটিসের লক্ষণগুলো দুই মাসের বেশি থাকে তাহলে এটিকে ক্রনিক সাইনোসাইটিস হিসেবে দেখা হয়। অ্যালার্জিও জীবাণুঘটিত সমস্যা থেকে সৃষ্টি হয়। চিকিৎসা না নিলে পরবর্তী সময়ে তা জটিল আকার ধারণ করতে পারে।