মানববন্ধনের পর জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুন ও জাতিসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি হারদীপ সিং পুরীর কাছে স্মারকলিপিও দেয়া হয়।
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ছাত্রছাত্রীসহ বিপুলসংখ্যক প্রবাসীর স্লোগানমুখর এ সমাবেশ ভিনদেশীদের দৃষ্টি কাড়ে। সমাবেশে জাতিসংঘের ইকনোমিক অ্যান্ড সোস্যাল অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্টের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ভাদিমির পপোভ এই কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ করেন।
কর্মসূচিতে বক্তব্যে আয়োজক সংগঠনের আন্তর্জাতিক সমন্বয়কারী ড. নজরুল ইসলাম ‘নদী শাসনে’র নামে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের তৎপরতার কঠোর সমালোচনা করেন।
তিনি আরো বলেন, ভাটির দেশের মানুষগুলোকে মেরে ফেলার মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ভারত প্রায় ২৫ হাজার কোটি ডলার ব্যয়ে ওই নদী সংযোগ প্রকল্প হাতে নিয়েছে এবং তা ২০১৬ সালের মধ্যে বাস্তবায়িত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের নদীগুলোকে শুকিয়ে ফেলা হবে।
এ সময় ‘নদী নাই তো মানুষ নাই’, ‘ট্রানজিট দেয়া হবে না-নদীগুলোর পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখার নিশ্চয়তা ব্যতীত’ ইত্যাদি স্লোগান দেয় সমবেতরা।
এ সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন বেনের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী সৈয়দ ফজলুর রহমান, কলামিস্ট বেলাল বেগ, প্রবাসী বাংলাদেশিদের নেতা নূরুল কবীর, ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, বরিশাল বিভাগীয় সমিতির নেতা লুৎফর রহমান লাতু, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহিদুল হক খান।
বিক্ষোভ কর্মসূচি পর্যবেক্ষণের সময় ভাদিমির পপোভ বলেন, উজানের দেশ হিসেবে ভারতের নদী সংযোগ প্রকল্পকে সম্পূর্ণ অমানবিক। নিকট প্রতিবেশীর সঙ্গে এমন বৈরী আচরণ না করাই শ্রেয়।