যমুনা সার কারখানায় ১৫০ কোটি টাকা মুনাফা

ঢাকা, ২৭ জুলাই (বিডিন্যাশনাল নিউজ ডটকম):- বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প সংস্থা (বিসিআইসি) পরিচালিত যমুনা সার কারখানা ২০১১-২০১২ অর্থবছরে প্রায় ১৫০ কোটি টাকা মুনাফা অর্জন করেছে। ২০১০-১১ অর্থবছরেও এ সার কারখানার লোকসানের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৩০ কোটি টাকা।
  
বিসিআইসি সূত্রে জানা গেছে সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরের (২০১১-১২) প্রথম দিকে গ্যাস সংকটের কারণে যমুনা সার কারখানার উৎপাদন প্রায় দুইমাস বন্ধ থাকা সত্ত্বেও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সময়োপযোগী নির্দেশনায় অর্থবছরের পরবর্তী ১০ মাসে এ কারখানায় মোট তিন লাখ ২৭ হাজার ৫১২ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়। উৎপাদিত এ সারের বাজার মূল্য প্রায় ৫৮৯ কোটি টাকা।
সূত্র জানায়, যমুনা সারকারখানার উৎপাদিত মোট সারের মধ্যে দুই লাখ ৩৯ হাজার ১৫৯ মেট্রিক টন সার ইতোমধ্যেই বিক্রি করা হয়েছে। এতে আয় হয় ৪৩০ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া বাসসকে বলেন, “দেশে ইউরিয়া সারের ঘাটতি পুরণের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার ইউরিয়া সারকারখানাগুলোকে আধুনিকায়ন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে জাপানের কোভে স্টিল মিলের তৈরি ইউরিয়া স্টিপার যমুনা সারকারখানায় প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে সার উৎপাদন বেড়ে যাওয়ায় এ কারখানাটি আবারও লাভের মুখ দেখছে।”
এদিকে যমুনা সারকারখানায় ৮৮ হাজার ৩৫৩ মেট্রিক টন সার এখনো মজুদ রয়েছে। চলতি রোপা আমন মৌসুমে এই সার বিক্রি করা হবে।এ সার কারখানায় বর্তমানে গড়ে প্রতিদিন এক হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন সার উৎপাদিত হচ্ছে।”
দিলীপ বড়ুয়া বলেন, “এ কারখানায় সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্যও প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে গ্যাস টারবাইন জেনারেটর (জিটিজি) স্থাপনেরও কাজ চলছে।”
মন্ত্রী বলেন, “জিটিজি স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হলে যমুনা সারকারখানায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে।” ফলে এ কারখানায় সার উৎপাদন সার্বক্ষণিকভাবে অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। সূত্র: বাসস।